Showing posts with label এফিলিয়েট মার্কেটিং. Show all posts
Showing posts with label এফিলিয়েট মার্কেটিং. Show all posts

Tuesday, April 22, 2014

গ্রাফিক ডিজাইন বিক্রি করে মাসে আয় করুন ৫০০ ডলার, কোনরুপ বিড ছাড়াই

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নিজের মেধা আর নিজের দক্ষতাকে পুরো বিশ্বের কাছে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। আর এই ইন্টারনেট ব্যবহার করে পুরো বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে আপনি একদিকে যেমন নিজের মেধাকে করতে পারেন আরো সমৃদ্ধ
ঠিক তেমনি আপনি আপনার মেধা আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেটকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে বর্হি:বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেত পারেন। আর ইন্টারনেট বা অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য উপায়। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে নিজের ওয়েব সাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়, ফ্রিল্যান্সিং, ইকমার্স, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদির মাধ্যমে আয়। তবে আমরা সচরাচর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় যেটি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি শুনে থাকি সেটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যেখানে আপনাকে আপনার দক্ষতা আর মেধার মনোনিবেশ ঘটিয়ে কাজ করতে হলে প্রথমে আপনাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকেদের সাথে কাজ পাওয়ার জন্য বিডে অংশগ্রহন করে করতে হবে। আর আপনি যদি বিডে অংশগ্রহন করে সকলের মধ্য হতে নির্বাচিত হতে পারেন তবেই আপনি কাজ করার জন্য মনোনিত হবেন।মূলতঃ কাজের দক্ষতা, সুন্দর পোর্টফোলিও, কভার লেটার ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হওয়া যায়। কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনার যদি বিডের মাধ্যমে কাজ না পান, তারপরও সে তার তৈরীকৃত ডিজাইনগুলি বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করেও অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি এই বিড ছাড়াই গ্রাফিক ডিজাইন বিক্রি করে মাসে ভালো আয় করতে পারেন সে সম্পর্কে ।  
বিড ছাড়াই অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য মার্কেটপ্লেস। আর তাদের মধ্যে অন্যতম একটি একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে graphicriver যেখানে আপনি আপনার আপনার তৈরীকৃত ডিজাইনগুলি বিক্রি করে অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন। এটি এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি প্রথাগত বাজারের ন্যায় একটি ডিজাইন একবার নয় বরং একাধিকবারও বিক্রি করতে পারবেন। তবে আপনাকে এক্ষেত্রে যে সকল ধাপ অনুসরন করতে হবে তা পর্যায়ক্রমে উপস্থাপন করছি।
ধাপ ১:  এ ধাপে প্রথমে আপনাকে graphicriver সাইটটিতে প্রবেশ করে আপনার ইউজারনেম, ইমেইল ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন আপ করতে হবে।
ধাপ ২: এ ধাপে আপনাকে আপনার প্রোফাইল পেজটি আকর্ষণীয়ভাবে পূরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনি কাস্টমারদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে পারেন যা আপনার জন্য লাভজনক হবে।
ধাপ ৩:  এ ধাপে আপনাকে জানতে হবে আপনি সেখানে কি কি ডিজাইন সাবমিট করতে পারবেন। এখানে আপনি সাবমিট করতে পারবেন ওয়েব এলিমেন্ট, বিজনেস কার্ড, লোগো ডিজাইন, ওয়েব টেমপ্লেটস, আইকন, অবজেক্ট গ্রাফিক, টেক্সারস, ভেক্টর গ্রাফিকস, ইত্যাদি।তাছাড়াও আপনি আরও সাবমিট করতে পারবেন ওয়েব ডিজাইনের বাটন, ফরমস, নেভিগেশন বার ইত্যাদি ।
ধাপ ৪: এ ধাপে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কি তৈরি করে সাবমিট করবেন। ধরুন আপনি সুন্দর একটি লোগো ডিজাইন করলেন। এর পর আপনার কাজ শুধু ঐ ডিজাইনটি নির্দিষ্ট ভাবে নিয়ম অনুসারে graphicriverসাইটটিতে উপস্থাপন বা সাবমিট করা । একবার ডিজাইন আপলোড বা সাবমিট করা হলে গ্রাফিকরিভার সাইট কর্তৃপক্ষ ৭২ ঘন্টা সময়ের মধ্যে আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার ডিজাইনটি গৃহীত হয়েছে কি হয়নি। আপনার ডিজাইনটি গ্রাফিক রিভার সাইট কর্তৃক গৃহীত হলে বাকি কাজ ঐ সাইটের দায়িত্ব প্রাপ্ত কতৃপক্ষই আপনার জন্য করে দেবে।
ধাপ ৫: এ ধাপে আপনার ডিজাইনের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ করা হবে। আর তা $১ থেকে $১০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে যা নির্ভর  করবে ডিজাইনের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে। যদি আপনার ডিজাইনটি বিক্রি হয় তাহলে প্রাথমিকভাবে ঐ সাইটের দায়িত্ব প্রাপ্ত কতৃপক্ষ প্রতিবার বিক্রির জন্য আপনার ডিজাইনের নির্ধারিত মূল্যের 40% আপনাকে প্রদান করবে।
আপনি কেমন আয় করতে পারবেন তা নির্ভর করবে আপনার ডিজাইন এর উপর। আর এ জন্য যথাসম্ভব সুন্দর ইউনিক ডিজাইন করুন যাতে কাস্টমারদের তা পছন্দ হয়। মনে করুন আপনার আপলোডকৃত ডিজাইনটি গৃহীত হল এবং এটির মূল্য ধরা হল ৫ ডলার। তাহলে এটি যদি প্রতি মাসে ১০০ বার বিক্রি হয় তবে মাস শেষে আপনার আয়ের পরিমান দাড়াবে ৫০০ ডলার। আর আপনি যদি প্রতি মাসে ৪ থেকে ৫ টি ডিজাইন আপলোড করতে পারেন এবং সবগুলিই সাইট কতৃক গৃহীত হয় তাহলে কিন্তু আপনার মাসিক আয় হবে লোভনীয় পর্যায়ের । তবে আপনাকে ভালো আয়ের জন্য অবশ্যই যথাসম্ভব ইউনিক ডিজাইন তৈরি করতে হবে

Thursday, April 10, 2014

অনলাইনে আয় : গুগল এ্যাডসেন্স VS বিডভারটাইজার আসুন দেখি কে এগিয়ে ?

আমরা যারা অনলাইনে আয় করি বা অনলাইনে আয়ের চেষ্টা করছি তাদের জন্য এই পোষ্ট খুবই গরুত্বপূর্ন বলে মনে করি আমি ।অনলাইনে আয় বলতে গুগল এ্যাডসেন্স কে এগিয়ে রাখি আমরা ।কিন্তু গুগল এ্যাডসেন্স তো সোনার হরিন ।দীর্ঘ ৩বত্‍সর পর চেষ্টার তাকে ধরতে পেরেছি ।এতো দিন বিডভারটাইজার নিয়ে কাজ করেছি আমি আজ আপনাদের কাছে উপস্থাপন করতে চাই এই দুইটার মধ্য কে এগিয়ে ?



বিডভারটাইজার এর সুবিধা গুলো হলোঃ
  • ১. বাংলা ওয়েবসাইটে বিঞ্জাপন দেয় ।
  • ২. সাইট সাবমিট করলে সহজে এ্যাপ্রোভ করে ।
  • ৩.কঠিন কোন শর্ত নাই .যেমন আমার সাইটে আমি অনেকবার ক্লীক করেছি ।
  • ৪.মাত্র ১০ ডলার হলে পেপাল ১০০ ডলার হলে চেক মাধ্যমে টাকা উঠানো যায় .প্রত্যক মাসে ৩০ তারিখে অবশ্যই পেমেন্ট পাওয়া যায় ।
  • ৫.গতকাল ১০০ ডলার পেমেন্ট পেয়েছি সাথে ৮ ডলার কনভেজ বোনাস হিসেবে পেয়েছি ।
  • ৬.বিডভারটাইজার আপনার সাইটের জন্য পার ক্লীক কত দিবে তা প্রথম থেকে নির্ধারন প্রত্যক ক্লিকে একই পরিমান আয় হবে.যেমন বাংলা সাইটের জন্য পার ক্লীক ৩সেন্ট থেকে ১০ সেন্ট ও ইংরেজী ও ভালো মানের সাইটের জন্য যেমনঃ আমার সাইটে পার ক্লীক $ ১ ডলার পর্যন্ত নির্ধারন করা আছে ।
  • ৭. এখানে বড় যে সুবিধাটি আছে একজন ব্লগার হিসেবে তা বলতে পারলাম না .কারন আমি চাইনা অন্য ব্লগারদের ক্ষতি হোক ।
  • এক কথায় কোন শর্তের জালে আপনাকে আবদ্ধ করেনা বিডভারটাইজার
অসুবিধাগুলোঃ এরা বেশী ইমেজ এ্যাড দেয়না বেশী টেক্সট এ্যাড বেশী দেয়।
যে সাইটের জন্য এ্যাড নিবেন ঐ সাইটেই কোড বসাতে হবে (প্রত্যক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা কোড নিতে হবে)
গুগল এ্যাডসেন্সঃ
  • ১.এরা সহজে এ্যাকাউন্ট এ্যাপ্রোভ করেনা ।
  • ২.বাংলা সাইট এ্যাডসেন্স নেয়না
  • ৩.বিভিন্ন শর্তের জালে আবদ্ধ করে রাখে ।
  • ৪. আমি হতাশ হয়েছি এত খড় কাঠ পুড়িয়ে একটা এ্যাকাউন্ট পেয়ে পার ক্লীক আয় ৮সেন্ট দেখে ।
গুগল এ্যাডসেন্সের বেশী সুবিধা হলো এরা ইমেজ এ্যাড বেশী দেয় যাতে প্রচুর
ক্লীক সম্ভবনা থাকে ।
আমার অভিঞ্জতা শেয়ার করলাম এবার যারা গুগল এ্যাডসেন্স পাননি তারা বিডভারটাইজার থেকে নিশ্চিন্তে এ্যাড নিতে পারেন ।আর যারা গুগল এ্যাডসেন্স পাবলিশার তাদের কে বলবো এ্যাডসেন্সের পাশাপাশি অন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে যাচাই করতে পারেন, এখানে দেখতে পারেন বা যোগ দিতে পারেন BidVertiser ধন্যবাদ । মতামতের আশায় রইলাম ।

Join Now  BidVertiser 

Kono Problem a join korun Amader Facebook Group A

Monday, March 31, 2014

Adsense এর বিকল্প !!! মাসে ইনকাম করুন ৪০০-৫০০ ডলার ১০০ % গারান্টেড

720x90 Adsense এর বিকল্প !!!
প্রিয় পাঠক, Adsense নিয়ে সমস্যায় আছেন ?  একাউণ্ট ব্যান হওয়া, এপ্রুভ না হওয়া,দীর্ঘ সময় রিভিউ ঝুলে থাকা মুক্তি পান আজই। অনেক সময় জমা হওয়া অনেকগুলো ডলার উত্তোলনের আগেই হয়ত আপনার আকাউন্ট ব্যান হয়ে গেছে।
adsense এর বিকল্প খুজছে  নিশ্চই?
অন্য যাদের পেয়েছেন তারা হয়ত ভাল এড দিচ্ছে না, ভাল পেমেন্ট দিচ্ছে না বা আপনার ইনকাম প্রায় শুন্যের কোঠায়। হতাশ হবার কিছু নেই আজকে শেয়ার করছি আমার দেখা মতে সবথেকে ভাল, high paying এবং adsense এর সেরা বিকল্প।
কি আছে এতে?
720x90 Adsense এর বিকল্প !!!
  • সহজ এবং ব্যাবহার উপোযোগী
  • আপনার জন্য নির্ধারিত একজন একাউণ্ট ম্যানেজার ২৪ ঘন্টা আপনাকে অনলাইনে সেবা দিবে। আপনি দরকার হলে স্কাইপিতে তার সাথে আপনার সমস্যা শেয়ার করতে পারবেন। দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
  • সাইট approval এর কোন ঝামেলাই নেই।
  • সহজ payment পদ্ধতি
  • নূন্যতম ১ ডলার হলেই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
  • তাতক্ষনিক উত্তোলন, যখন withdrawal request দিবেন তখনই পেমেন্ট
  • ক্লিক এবং ইম্প্রেশন এ ভাল রেট পাবেন
  • আপনার ব্লগে বেশি ভিজিটর থাকলে
  • আমার দেখা মতে আপনি এখান থেকেই সব থেকে বেশি রেফারেল কমিশন পেতে পারেন।
  • সব ধরনের ভাষা ও কন্টেন্ট সাপোর্ট করে।
  • এডাল্ট সাইট ও সাপোর্ট করে তবে আপনাকে সেক্ষেত্রে এডাল্ট ক্যাটাগরী নির্দেশ করে দিতে হবে এড বসানোর সময়।
  • Multi Ad যেমন Banner Ad,Slider Ad,Popup Ad,Layer Ad,Fullpage Ad ইত্যাদি সাপোর্ট করে।
720x90 Adsense এর বিকল্প !!! প্রত্যেক publisher-কে রেফার করার জন্য আপনি পাবেন তাৎক্ষনিক ৫০ ডলার এবং ২% করে তার ইনকামের উপর রয়্যালিটি কমিশন।
প্রত্যেক বিজ্ঞাপনদাতাকে রেফার করার জন্য আপনি পাবেন তাৎক্ষনিক ১০০ ডলার এবং ১% করে তার প্রদত্ত বিজ্ঞাপন খরচের উপর রয়্যালিটি কমিশন।
টাকা উত্তোলন করতে পারবেন Paypal,Payza এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। Paypal, Payza তাৎক্ষনিক আর ব্যাংক ট্রান্সফার হতে কয়েকদিন সময় লাগে।

তবে আর অপেক্ষা কেন? জয়েন করতে এখানে ক্লিক করুন

720x90 Adsense এর বিকল্প !!!

যেকোনো সমস্যায় আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এ পোষ্ট করুন

Saturday, March 22, 2014

চিটিকা এড কি গুগলের চাইতেও ভাল?

আমরা অনেকেই গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমার চেয়ে অনেক বেশি জানেন যে এটি সব এড নেটওয়ার্কের সেরা। যাহোক আমাদের অনেকেই জানেননা যে চিটিকা এডসেন্স এর সমপর্যায়ের এড নেটওয়ার্ক। বর্তমান ইন্টারনেট এড জগতে গুগল এডসেন্স এবং চিটিকা সেরা দুই কোম্পানি। তবে কিছু ক্ষেত্রে চিটিকা অনেক এগিয়ে আছে গুগল এডসেন্স থেকে।গত দুই বছরে চিটিকা এত বেশি বিস্তার লাভ করেছে যে আগামি কয়েক বছরের মধ্যে এটিই ইন্টরনেট এড জগতের গুরু হতে চলেছে।
চিটিকা বর্তমানে গুগলের এক নাম্বার প্রতিদ্বন্দী এবং মাথা ব্যাথার প্রধান কারন। চিটিকার পে পার ক্লিক রেট তুলনামুলক ভাবে গুগল এডসেন্সের চেয়ে বেশি। তাছাড়া চিটিকার টেক্সট এড গুগল এডসেন্সের টেক্সট এড এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি রিলেটেট এমন কি অনেক বেশি ক্লিক পাওয়া যায়। নিচে আমার গত এক মাসের ইনকামের একটি চিত্র দিলাম।
কেন চিটিকা এড গুগলের চাইতেও ভাল?

কেন চিটিকা এড গুগলের চাইতেও ভাল?

১. গুগলের ১০০১ টা পলিসি আছে যার একটি লঙ্ঘন করলে ব্যান খাওয়া নিশ্চিত এবং সব পলিসি  মেনে চলা অনেক কঠিন। কিন্তু চিটিকার সামান্য কিছু পলিসি আছে এবং সব পলিসি  মেনে চলা অনেক সহজ যদিও আপিন আমার মত নতুন হন।
২. চিটিকার সবচেয়ে বড় বড় গুন হল যখন ভিজিটর কোন এডে ক্লিক করে তখন এটি আপনার পেজ থেকে ভিজিটরকে নতুন ট্যাবে অন্য পেজে নিয়ে যায় ফলে ট্রফিক হারানোর ভয় কম থাকে, কিন্তু গুগল ঐ পেজই নতুন পেজ ওপেন করে এবং আপনার অনেক কষ্টের ট্রফিক নিয়ে যায় যা আপনি আর ফিরে পাবেননা।
৩.  যদি আপনার কিছু ভালো কন্টেন্ট এবং ভিজিটর থাকে তাহলে এপ্লাই করলেই চিটিকার এপ্রুভাল পাবেন কিন্তু হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট এবং ভিজিটর না থাকে গুগল এডসেন্স পাবেননা। তাছাড়া গুগল সামান্য কিছু ভাষার সাইট এপ্রুভ করে যার মধ্যে আমাদের প্রানের চেয়ে প্রিয় বাংলা ভাষা নেই!!! অন্যদিকে চিটিকা সব ভাষার সাইটই এপ্রুভ করে যার মধ্যে আমাদের প্রানের চেয়ে প্রিয় বাংলা ভাষাও আছে।
৪. গুগল সবাইকে সমান চোখে দেখেনা। আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়ার জন্য এক রকম পলিসি এবং বাকি জন্য অন্য রকম পলিসি। আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়াকে ডান চোখ দিয়ে এবং বাকি সবাইকে বাম চোখ দিয়ে দেখে যা কিছুটা বর্ণবাদের মত। যে কন্টেন্ট আমাদের সাইটে দিলে কপি কন্টেন্ট হয় সেই একই কন্টেন্ট বা তার চেয়েও নিন্ম মানের কন্টেন্ট আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়ার সাইটে দিলে ১০০% ইউনিক হয়। কন্তু চিটিকার এরকম কোন সমস্যা নেই।
৫. চিটিকাতে $১০ হলেই উত্তোলন করতে পারবেন কিন্তু গুগলে $১০০ এর কম উত্তোলন করতে পারবেন না। উপরন্তু আমি অনেককে দেখেছি যারা গুগলে $১০০ ইনকাম করার আগেই ১০ বার ব্যান খায়, আবার অনেকেই $১০০০ ইনকাম করে যাদের ৯৫% আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়া থেকে, গুগলের ডান চোখের বদৌলতে। আমাদের দেশ খেকেও অনেকেই ইনকাম করে যাদের সংখ্যা অনেক কম।
৬. চিটিকার আরেকটি গুরুত্তপুর্ন দিক হল তাদের রেফারেল পোগ্রাম যার মাধ্যমে আপনি পাবলিশার বা এডভারটাইজার উভয়কেই রেফারেল করতে পারেন, বিনিময়ে তাদের ইনকামের ১০% আপনি পাবেন যা গুগলের নেই।
যদি আপনার ভালো মানের কন্টেন্ট এবং অনেক ভিজিটর থাকে তাহলে চিটিকা থেকে মাসে $১০০ - $ ১০০০ ইনকাম করা খুবই সম্ভব। তাই আপনাকে বলছি অযথা এডসেন্স বা অন্য কোন এডের জন্য সময় নষ্ট না করে আজকেই একটি চিটিকা একাউন্ট খুলুন এখান থেকে এবং ইনকাম শুরু করুন কালকে থেকেই।
টিউনটি তাদের উদ্দশ্যে করা যারা বারবার এডসেন্সে এপ্লাই করেও এপ্রোভাল পাচ্ছেননা, ব্যান খেয়েছেন, ব্লগিং করে টাকা কামাতে চান, একটি নির্ভরযোগ্য এড নেটত্তয়ার্ক খুঁজছেন, যারা টাকা আয় না করতে পেরে ব্লগিং করার চিন্তা বাদ দিয়েছেন। মনে রাখবেন কঠোর পরিশ্রম, ভালো মানের কন্টেন্ট এবং ভিজিটর থাকলে চিটিকাই আপনার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে। শুভকামনা রইল।

 কনো প্রশ্ন থাকলে ফেসবুক গ্রুপ

 

Copyright @ 2013 Make Money Online Free.