Monday, June 10, 2013

কিভাবে লেখালেখি করে অনলাইনে টাকা আয় করবেন পার্ট ২

“কিভাবে লেখালেখি করে অনলাইনে টাকা আয় করবেন নিয়ে” ধারাবাহিকভাবে লিখছিলাম। আগের পর্ব না পড়লে এখানে পড়ে নিন বুঝতে সুবিধা হবে।
আপনি যদি আগের পর্ব পড়ে থাকেন তাহলে আমার এখন ইংরেজিতে লিখে অনলাইন এ টাকা আয়ের বিভিন্ন উপায়, উৎস এবং টিপস শিখব। তার আগের একটা ব্যাপার নিয়ে একটু বলি।
ইন্টারনেট তো এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। দেশে প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ইউজার বাড়ছে। কিন্তু আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি, হলেও যেটুকু হয়েছে তা চোখে পরার মত না। মনে হয় ইন্টারনেট/ অনলাইন ব্যাপারটিকে আমরা এখনো সহজভাবে নিতে পারিনি। শুধুমাত্র এই কারনেই আমাদের অনলাইন কার্যক্রম সীমাবদ্ধ, অনেকটা অকার্যকর।
আপনারা শুনে থাকবেন একটা বহুল ব্যবহৃত কথা হল “ইন্টারনেট এ তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক?” পত্র পত্রিকায়ও তো কত কিছুই থাকে তার সব কি ঠিক? ভুল, অতিরঞ্জিত খবর থাকে, অনেক ভুয়া বিজ্ঞাপন থাকে। কিন্তু আমরা তো তার মধ্য থেকে পুরোপুরি না হলেও বেশিরভাগ সময় সঠিকটিই বাছাই করতে পারি। যে পত্রিকা ভালো খবর দেয় সেটিই জনপ্রিয়, যে বিজ্ঞাপন বাস্তবভিত্তিক তাতেই লোকজন অ্যাপ্লাই করে। এখন আপনি যদি কাউকে বলেন “আরে পত্রিকাই তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক?” তার উত্তরে সে বলবে, “কি হইছে, এইটা কি বলার মত কিছু হইল?” এটাই মূলকথা। ইন্টারনেট এর বেপারেও এমন মানসিকতা থাকতে হবে। টেলিভিশান যেমন খুবই সাধারন একটা জিনিস, কোনটা ভালো কোনটা মন্দ আপনি বুঝেন ইন্টারনেট কেউ সেইভাবে নিতে হবে।
সবারই ব্লগ লিখতে হবে এমন কোন কথা নাই, আর লিখলেও কিছু হয় নাই। It’s just not a big deal. তবে ইন্টারনেট এর বিজ্ঞাপন, চাকরি বাকরি সবই যেহেতু পশ্চিমা ঘেঁষা, ওদের দেশের টাকার মান ভালো কাজেই এখানে আপনি বিদেশে না গিয়েও মোটামুটি ভালো টাকা আয় করতে পারেন। ইন্টারনেট এর সম্ভাবনা অসীম। আপনি একটা ওয়েবসাইট এর জন্য লিখছেন, ১ বছর পর নিজের একটা ওয়েবসাইট খুলবেন, ২ বছর পর ওয়েবসাইট ভালো করলে আরও ভালো কিছু করতে পারবেন। সাধারন চাকরিতে এটা মনে হয় কঠিন। (এইগুলা কোন বৈজ্ঞানিক সুত্র না! ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নাই। তবে আপনার ভালো না লাগলে পড়বেন না!)
তবে অনলাইনে কিছু করা অনেক বেশি কঠিন। আপনি পড়াশোনা শেষ করে একটা চাকরি পাবেনই এটা তো মনে হয় বলাই যায় তেমনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনলাইনে আয় করতে এসে আপনি সাফল্য পাবেন না (মনের মত) সেটাও বলা যায়। সুতরাং সময় নষ্ট করার আগে নিজেকে বুঝে নিন।
আর উপরের মত মানসিকতা (একটা বহুল ব্যবহৃত কথা হল ইন্টারনেট এ তো কত কিছুই থাকে সব কি ঠিক? …………) থাকলে মনে হয় আপনি ইন্টারনেট এ কিছু করতে পারবেন না………!
ঠিক আছে এখন আমরা সরাসরি লিখে কিভাবে অনলাইন এ টাকা আয় করতে পারবেন তা দেখব।
আমরা প্রথমে যেটা দেখব সেটা হল outsourcing যেহেতু এটি এখনকার সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যাপার।
আপনি বিভিন্ন outsourcing ওয়েবসাইট এ লেখা লেখি করে টাকা আয় করতে পারেন। আরও অনেক উৎস, উপায় আছে পরে আলোচনা করবো।
তাহলে আপনি লেখক হিসাবে outsourcing ওয়েবসাইট এ কাজ করে টাকা আয় করতে যাচ্ছেন? এই ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে outsourcing ব্যাপার টা বুঝতে হবে (কিভাবে করে , কিসে করে, কোনটা ভালো………………)। আপনি বাংলা অথবা ইংরেজিতে অনেক ওয়েবসাইট পাবেন যেখানে এই ব্যাপারে লেখা পাবেন।
যাই হোক outsourcing কি……… তাহলে এখন আপনি জানেন। এখন outsourcing ওয়েবসাইট গুলোতে লেখালেখির জন্য যে ধরনের কাজ থাকেঃ
১। টেকনিক্যাল রাইটিংঃ লিখতে গেলে আসলে অনেক কিছুই মনে আসে। যেমন ধরুন আমাদের কথা বার্তা শুনে আপনার influenced হওয়ার কথা। সেটা হয়ে আপনি অনলাইন এ লেখালেখি করে টাকা আয় করতে চাইলেন কিন্তু আপনি Written English এ ভালো না। তাহলে তো আর লাভ নেই। আগের পর্বে বলেছিলাম বাংলাতে তেমন একটা লেখার কাজ নাই। কাজেই ইংরেজিতে ভালো আপনাকে লিখতেই হবে যেকোনো ধরনের অনলাইন এ লেখার কাজের জন্য।
অনেকের ভুল ধারনা থাকে। সামান্য একটু ভালো লিখলেও ভাবে অনেক ভালো তাহলেও মনে হয় হবেনা।
ধরুন outsourcing বাদ, টেকনিক্যাল রাইটিং বাদ। আপনি নিজের ওয়েবসাইট এর জন্যই ইংরেজিতে লিখবেন। তাহলেও হবেনা ভালো ইংরেজিতে না লিখলে মানুষ আপনার লেখা পড়বেনা।
প্রস্তুতির চেয়েও প্রস্তুতির প্রস্তুতি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই কারনে এত কথা বললাম। পরের টিউটোরিয়াল এ outsourcing ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে লিখে টাকা আয় করবেন, বিভিন্ন ধরনের লেখা ইত্যাদি নিয়ে লিখব। ভালো থাকবেন।

কিভাবে লেখালেখি করে অনলাইনে টাকা আয় করবেন পার্ট ৩ – টেকনিক্যাল রাইটিং

আমরা কিভাবে অনলাইন এ লেখালেখি করে টাকা আয় করা যায় নিয়ে আলোচনা করছিলাম। আজকের বিষয় টেকনিক্যাল রাইটিং।
টেকনিক্যাল রাইটিং কি?
একদম সহজ ভাষায় টেকনিক্যাল রাইটিং জটিল কোন জিনিসকে সহজ ভাষায় লেখা। আরও সহজ ভাবে বললে, টেকনিক্যাল রাইটিং হল সেইসব লেখা যা কোন প্রশাসনিক, বৈজ্ঞানিক বা মেকানিক্যাল কার্যক্রম কে সহজ, সাবলিল এবং বিস্তারিত ভাবে বলে থাকে। মুলত নিচের তিন প্রকার লেখাকে টেকনিক্যাল রাইটিং এর অন্তর্গত বলা হয়।
১। কোন টেকনিক্যাল বিষয়ের উপর লেখা যেমন কম্পিউটার সিস্টেম, পার্থিব রীতিনীতি, চিকিৎসা পদ্ধতি, বিজ্ঞানের কোন সূত্র ইত্যাদি।
২। টেকনোলজি বিষয়ে লেখা যেমন সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।
৩। কোন কিছু কিভাবে করতে হবে (বিসয়বস্তু যাই হোক না কেন)। যেমন কম্পিউটার কিভাবে সেট আপ দিতে হয়, মোটর সাইকেল কিভাবে চালাতে হয় ইত্যাদি।
আশা করি টেকনিক্যাল রাইটিং এর ব্যাপারে আপনার ধারনা পরিষ্কার হল। আমারা এখানে কিভাবে টেকনিক্যাল রাইটিং দিয়ে outsourcing করে টাকা আয় করবেন তা নিয়ে আলোচনা করবো।
কারা আপনাকে টেকনিক্যাল রাইটিং এর জন্য অনলাইন এ চাকরি দিবে।
১। Operational Company: Operational Company মানে হল সেইসব কোম্পানি যাদের কার্যপদ্ধতি দরকার। ধরুন একটি টেলিভিশান কোম্পানি। তাদের টেলিভিশান কিনলে কিভাবে চালাবেন তার জন্য একটি বিস্তারিত ম্যানুয়াল লাগবে। সত্যিকার অর্থে সব কোম্পানিই Operational Company. আপনি একটি সাধারন ওয়েবসাইট এর কথাই ধরুন। এখানে কিভাবে register, sign in করবেন, privacy policy ও terms of use,  লেখা দিবেন কিভাবে অথবা পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে কি করবেন তার জন্য টেকনিক্যাল রাইটার দরকার । যেমন একটি freelance marketplace এ টেকনিক্যাল রাইটিং ক্যাটাগরিতে এই বিজ্ঞাপন টি দেওয়া হয়েছে।
“- Advanced Planning and Optimisation/Supply Chain Management
· Creating process documents on Supply Network Planning
· Work Instructions
· Process Flows
· Must have experience in RWD Uperform
must be available in skype and teamview must be available in australia time for quick discussion and have good knowledge of SAP APO and rwd uperform . Job will be is to document the above process for training purposes
will be 1-2 hrs job daily”
২। যেকোনো শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট আপনাকে hire করতে পারে বিভিন্ন শিক্ষামূলক লেখার জন্য তা যে বিষয়ের উপরই হোক না কেন। যেমনঃ
Rate: $5/hr-$10/hr.
I am in need of a Mathematics expert who can work long time for me. I am Mathematics teacher and content generator and always in need of help. Please only bid if you have experience in CCSS.I am looking forward for your proposals. Low hourly rates will be appreciated.
৩। Article authority website এবং অনলাইন পত্রিকাঃ বিভিন্ন Article authority website যেমন ehow.com, examiner.com. আপনি অবাক হতে পারেন কিন্তু এরাও freelance marketplace থেকে লেখক নিয়োগ দেয়, কম টাকায় পাওয়া যায় বলে। অনলাইন পত্রিকায় বিজ্ঞান, টেকনোলজি পাতায় লেখার জন্যও আপনি কাজ পেতে পারেন।
কিভাবে ভালো টেকনিক্যাল রাইটার হওয়া যায় :
টেকনিক্যাল রাইটিং এর মুল উদ্দেশ্য হল কোন কিছুর সমাধান করা। ঠিক যেভাবে লেখলে সমস্যার সমাধান হবে সেভাবেই লেখা উচিত।
টেকনিক্যাল রাইটিং এর ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান দেওয়াটা মুখ্য। বাকি সবকিছুই গৌণ। তার মানে এই না যে বানান ব্যাকরণগত ভুল গ্রহণযোগ্য।
ভালো টেকনিক্যাল লেখা হল সেই লেখা যা যাদের দরকার নেই তাদের ভালো লাগেনা।
যাই হোক টেকনিক্যাল লেখায় ভালো করতে হলেঃ
১। সহজ শব্দ ব্যাবহার করতে হবে।  যেমন fatigued’ এর পরিবর্তে  ’tired’.
২। বিস্তারিত ভাবে যতদ্রুত সম্ভব লেখা শেষ করতে হবে।
৩। পয়েন্ট অনুসারে লেখুন। আপনি চিন্তা করে দেখুন একটা অংক যদি রচনার মত সমাধান করা হয় তাহলে কি আপনি বুঝতে পারবেন?
৪। ছবি, screenshot, screen capture ভিডিও যা দিলে সহজে বুঝা যায় তাই দিন।
গুগল এ সার্চ দিলে আরও অনেক টিপস পাবেন। কিন্তু মুল কথা হলঃ
টেকনিক্যাল রাইটিং মুলত subject based লেখা। আপনি অনেক ভালো লেখেন কিন্তু android সম্পর্কে কিছু জানেন না। তাহলে তো আর আপনি android development নিয়ে কিছু লেখতে পারবেন না। কাজেই যার যে বিষয়ে পড়াশোনা আছে সে বিসয়েই লেখার চেষ্টা করবেন।
যদিও সবকিছু লেখতেই অনেক কিছু জানতে হয়,  “ঘুম আসেনা”  নিয়ে কবিতা লেখতে আপনার যতটা জানতে হবে,  “how to treat insomnia” নিয়ে  লেখতে অনেক বেশি জানতে হবে।
প্রচুর চর্চা করুন। এটা আমরা সবাই জানি।
সবশেষে ভালো ইংরেজি লেখতে হবে। গত পর্বে বলেছিলাম অনেকেরই ভুল ধারনা থাকে নিজের প্রতি। সেই লেখারই একটি কমেন্টঃ
 ভালো লাগলে আরও পড়ুন।
“How is it possible?please tale me.I am expat in English writing.
par day salary amount? If you tale me i am inspire and writing?”
পরের পর্বে আমরা আরও কিছু ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করবো। ইন্টারনেট এ কোন কিছু শেখার জন্য অনেক ওয়েবসাইট একসাথে ঘাটাঘাটি করুন।
১।  কিছু ওয়েবসাইট অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। সেখানে আপনি সব বিষয়ে ধারনা পাবেন।
২। কিছু ওয়েবসাইট দুই একটা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবে। সেটা শুধু ওই বিষয়ে কিভাবে professional হওয়া যায় তার জন্য।
প্রথম শ্রেণীর ওয়েবসাইট থেকে আপনি মৌলিক ধারনা নিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর ওয়েবসাইট ব্যাবহার করতে পারেন। তাহলে আগে ব্যাপারটা সহজ হবে পরে আপনি কঠিন জিনিস শিখবেন।

কিভাবে ব্লগ থেকে টাকা আয় করবেন পার্ট ২

আমরা আগের টিউটোরিয়াল এ ব্লগ এর বিষয় নির্বাচন নিয়ে লিখেছিলাম। এই টিউটোরিয়াল এ আমরা আপনার ব্লগ এর পাঠক নির্বাচন এবং আরও দুই একটা ব্যাপার নিয়ে লেখার চেষ্টা করব।
ব্লগ এর পাঠক নির্বাচন বলতে বুঝায় আপনি ব্লগ কাদের  জন্য লিখতে চাচ্ছেন ঠিক করা। এখন আপনি বলতে পারেন এটি তো সাবজেক্ট নির্বাচনের মধ্যেই পড়ে, তাই না? যেমন আপনি পড়াশোনা বিষয়ক একটা ব্লগ ইংরেজিতেই শুরু করলেন। তাহলে তো যারা পড়াশোনা করছে তারাই আপনার ব্লগ পড়বে। তাহলে পাঠক শ্রেণী তো তারাই, আবার নতুন করে পাঠক শ্রেণী নির্বাচনের কি দরকার?
আপনার কথা ঠিক আছে তবে পুরোটা নয়।  আমাদের syllabus আর আমেরিকার একটি স্কুল, কলেজ এর syllabus কি পুরোপুরি এক? তা কিন্তু না।  ঠিক আছে আপনি তাও cover up করতে পারবেন। কিভাবে, syllabus পুরোপুরি এক না হলেও সাবজেক্ট তো একই তাই না? আমাদের দেশে SSC, HSC, O level, A level এ সেট পড়ায় ওদের দেশের সমমানের course এ অবশ্যই একই জিনিস পড়ায়। অবশ্যই তাই।  দুই একটা জিনিস বাদ দিয়ে প্রায় একই।  তাহলে আপনি যদি ব্যাপক আকারে সেট এর বেসিক বুঝিয়ে দেন তাহলে তো ছাত্র যে দেশেরই হোক না কেন আপনার জিনিস কাজে লাগবে।
তা অবশ্যই কিন্তু সেই ব্যাপক আকারে সেট বুঝানোটা কি আপনি পারবেন?  ওদের পড়াশোনার স্টাইল আর আমাদের দেশের পড়াশোনার স্টাইল এ অনেক পার্থক্য।  শুধু পড়াশুনার স্টাইল না পড়াশুনার পেছনে উদ্দেশ্য; মানসিক , অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক গঠন সবকিছুই কিন্তু ভিন্ন।  কাজেই আপনি ব্যাপক আকারে সেট বুঝালেও ওদের যে আপনার পড়ানোটা ভালো লাগবে তার বিন্দু মাত্র গ্যারান্টি নাই।
তাহলে বিষয় নির্বাচনের পরপরই পাঠক শ্রেণী নির্বাচন করুন। এমন পাঠক শ্রেণী নির্বাচন করবেন যারা আপনার মতই।  যাদের আপনি চেনেন। 
তাহলে আপনি motivated যে  নিজের ব্লগিং শুরু করবেন, বিষয় নির্বাচন করেছেন, পাঠক শ্রেণী নির্বাচন করেছেন। এবার কি করবেন। আবার একটু ভাবুন। আপনি পাঠক শ্রেণী নির্বাচন করেছেন। নির্বাচিত পাঠক শ্রেণী টিকে কি আপনার ব্লগের পাঠক বানাতে পারবেন? তার জন্য যা যা লাগবে-
ক) পাঠক কে বুঝাতে হবেঃ
আপনি যা লিখবেন তা পাঠক কে বুঝিয়ে দিতে হবে।  মনে করুন আপনি একটি ব্লগ শুরু করলেন কিভাবে outsourcing করে টাকা আয় করতে হয় কিন্তু আপনার পাঠক ব্যাপার গুলো বুঝলই না implement আর কি করবে।  তাহলে কোন লাভ হবে?  অন্যদের তো লাভ হবেই না আপনার ও কোন লাভ হবে। কেউ একবার এর বেশি দুইবার আপনার ব্লগে আসবেনা।
খ) কাজের জিনিস লিখতে হবেঃ
আপনি যা লিখবেন তা পাঠকদের কাজে লাগতে হবে। আপনি লিখলেন কিভাবে outsourcing করে টাকা আয় করতে হয়। অনেক সুন্দর করে reference দিয়ে সাহিত্যিক গুনে গুণান্বিত লেখা লিখলেন।  পাঠক রা তো খুবই impressed,  আপনি কত ভালো লেখেন!  যখন আপনার লেখাটাকে ভিত্তি করে outsourcing শুরু করল তখন ই কেবল বুঝতে পারল আপনি সুন্দর করে অকাজের কথা লিখেছেন।  আপনার লেখা কোন কাজেই আসবেনা।  তাহলেও কেউই লাভবান হলেন না।
গ) প্রচুর লিখতে হবেঃ
আপনি শুরু করলেন কিভাবে outsourcing শুরু করতে হয়। পাঠক পড়ল, বুঝল, implement ও করল। কাজেও লাগলো।  আপনার উপর পাঠকের একটি বিশ্বাস তৈরি হল। পাঠক outsourcing এর শুরুটা  ভালভাবেই করল কিন্তু এরপর আর কোন লেখা খুজে পেলনা। আশাহত হবে, আপনাকেও করবে।
ঘ) পাঠকের সমস্যা বুঝে সাহায্য করতে হবেঃ
আপনার লেখায় অনুপ্রাণিত হয়ে পাঠক outsourcing শুরু করে একটা জায়গায় বুঝলনা।  সে তো আপনার উপর ভরসা রাখে!  আপনার ব্লগে এ কমেন্ট করল অথবা যেকোনো ভাবে আপনার সাহায্যও চাইল।  আপনি তাকে কোন সাহায্যই করতে পারলেন না তাহলেও তো কোন লাভ নেই। আর ঠিক এই কারনে যে জিনিস ভালো জানেন তা নিয়ে, যে পাঠক দের ভালভাবে বুঝেন তাদের জন্য ব্লগ লিখুন।
আপনি যদি উপরের ব্যাপার গুলো ভালোভাবে maintain করতে পারেন ব্লগিং শুরু করুন অনেক ভালো করবেন। practical ব্লগিং শুরু করার আগে এই পর্যন্তই। আমরা পরের পড়বে কিভাবে শুরু মাঠে নামবেন তা নিয়ে আলোচনা করব। উপরের ক, খ, গ, ঘ এর মত আরও কিছু টিপস আছে (আপনার ব্লগের advertising, seo……….) যা আপনার এখন কাজে লাগবেনা কিন্তু যখন শুরু করবেন তখন লাগবে। তা নিয়ে পড়ে লিখব।

Saturday, June 8, 2013

সহজেই ডাউনলোড করে নিন আপনার প্রয়োজনীয় সব ড্রাইভার

কিছু দিন যাবৎ আমার এক বন্ধুর লেপটপে সমস্যা হচ্ছিল । তাই সে নতুন করে Windows Setup দিতে চাইল কিন্তু সমস্যা হল ওর কাছে মাদারবোর্ডের সিডি নেই । 
সেটাপ দিলেতো সব ড্রাইভার পাবে না । তাই আমাকে বলল ড্রাইভার ডাউনলোড করে দিতে । তাই আমি একটু খোজাখোজি করে একটা দারুন সাইট পেলাম । সাইটটা হল Drivers.com । এখান থেকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ি যেকোন ড্রাইভার ডাউনলোড করতে পারবেন । এখান থেকে আপনার ড্রাইভারের কোন সমস্যা থাকলে তাও ফিক্স করে নিতে পারবেন । এই সাইটটা মাইক্রোসফট সার্টিফাইড পার্টনার । এখানে আপনি সকল প্রকার টপ ড্রাইভারস এর সমস্যার সমাধান কিভাবে করবেন সেই সাহায্যও পাবেন । এখানে ড্রাইভার্স ডাউনলোড করার সিস্টেমটাও সুন্দার । আপনি ডিভাস টাইপ বা আপনার ড্রাইভারের কোম্পানি অনুযায়ি আপনার প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ডাউনলোড  করতে পারবেন । আর দেরি না করে এখনি ডাউনলোড করে নিন আপনার প্রয়োজনীয় ড্রাইভার গুলো ।
সাইট লিঙ্কঃ Drivers.com
এই পোস্টে আপনার একটু উপকার হলেই আমার লেখা সার্থক । ভাল লাগলে লাইক ও কমেন্ট করবেন আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন । আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু ।

বিনা পুঁজিতে অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতিসমূহ: পর্ব ১

আমরা জানি অনলাইনে যারা ইনকাম করতে চায় তাদের বেশিরভাগি কোনো প্রকার অর্থ বিনিয়োগ করা ছাড়াই অর্থ উপার্জন করতে চায় তাই আমি ধারাবাহিক ভাবে কয়েকটি পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের দেখাবো কিভাবে বিনাপুজিতে অনলাইনে আয় করা সম্ভব।
অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার অনেক উপায় আছে যেগুলোর বেশিরভাগি আমাদের ধোকা দিয়ে থাকে, তাই এখানে শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য এবং সহজে অর্থ উপার্জনের উপায়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে  আর সে কারণেই হয়তো এই তালিকাটি আপনার কাছে ছোট মনে হবে। যারা অনলাইনে একেবারে নতুন তাদের জন্য এই তথ্যগুলো প্রাথমিকভাবে পথ প্রদর্শক হিসেবে অর্থ উপার্জন করতে সাহায্য করবে।
অনলাইনে অর্থ উপার্জনের আরো কয়েকটি উৎস হচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জ, ফরেক্স ট্রেডিং, ইন্টারনেট মার্কেটিং, অনলাইন এডভারটাইজিং ইত্যাদি, কিন্তু এখানে অংশ নিতে বা যোগদান করতে আপনাকে প্রাথমিকভাবে কিছুটা বিনিয়োগ করতে হবে। তাই এই পদ্ধতিগুলো এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
কোনো প্রকার বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা ছাড়া অর্থ উপার্জনের পদ্ধতিগুলো হলোঃ
  • Paid To Click Websites - ওয়েবসাইট এ ক্লিক করে অর্থ উপার্জন
  • Aurora Websites - অরোরা ওয়েবসাইট
  • Paid to Share Files - ফাইল শেয়ার করে অর্থ উপার্জন
  • Money Making Forum - অর্থ উপার্জন ফোরাম
  • Money From AlertPay- এলার্ট পে থেকে অর্থ উপার্জন
  • Paid to Review - রিভিউ থেকে অর্থ উপার্জন
  • Paid To Write - লিখে অর্থ উপার্জন
  • Game Testing Job - গেম টেস্টিং জব
  • Money From Your Website - নিজের ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন
  • Money With Backlinks - ব্যাকলিংক থেকে অর্থ উপার্জন
  • Paid to Share Videos - ভিডিও শেয়ার করে অর্থ উপার্জন
  • Get Paid with Shrinked URLs - শ্রিন্ক ইউআরএল থেকে অর্থ উপার্জন
  • Get Paid to stay online - অনলাইন এ থেকে অর্থ উপার্জন
আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বগুলোতে আমি প্রতিটি পদ্ধতির লিংক সহ সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করবো ।  আমি যেহেতু নতুন লেখক তাই লেখার মান কিছুটা খারাপ হতে পারে । আশা করি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টি নিয়ে পড়বেন । কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

Google ADSence এর বদলে ব্যবহার করুন Bidvertiser

প্রথমে  সবাই কে সালাম জানাই । আপনারা সবাই কেমন আছেন । আশা করি ভালো আছেন । আপনারদের দোয়াই আমি ভালো আছি । আর কাথা না বাড়িয়ে কাজের কথাই আসি আজকে আপনারদের দেখাব কিভাবে আপনার বাংলা ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ Google ADSence এর বদলে bidvertiser ব্যবহার করবেন । এই পৃথিবীতে আয় করার জন্য Google ADSence সব চেয়ে সেরা
কিন্তু আপনার বাংলা ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ তো আর Google ADSence ব্যবহার করতে পারবেন না । তাই আপনি এখন ব্যবহার করতে পারেন Bidvertiser এখানে বাংলা ওয়েব সাইট বা ব্লগ দিয়ে আয় করতে পারেন । এই খানে আপনার দেশের মানুষ ক্লিক করার চেয়ে অন্য এক দেশের মানুষ ক্লিক করলে আপনার আয় আরো আনেক বেশি হবে তাই এমন ভাবে লিখবেন যেন আপনার দেশের মানুষ এর চেয়ে অন্য দেশের মানুষ AD এ  বেশি ক্লিক করে । এখানে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ Ad দিবে এবং এতে মানুষ ক্লিক করলেই আপনার আয় হবে । আর একটা কথা এরা আপনার টাকা কখনো মেরে খাবে না আর আপনি যদি টাকা উঠাতে সমস্যা হয় তাহলে এরা সাহায্যে করবে । আপনি যদি এদের কাছে সাহায্যের দরকার হয় তাহলে এদের ইমেইল পাঠালে আপনাকে সাহায্যে করবে । এই খানে  আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ অনেক visitor লাগবে আর যদি বেশি visitor না থাকে তাহলে এই খানে চেষ্টা করে লাভ না । যদি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ বেশি visitor থাকে তাহলে চেষ্টা করতে পারেন আশা করি হয়ে যাবে । যদি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ বেশি visitor থাকে তাহলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ
  1. প্রথমে এই লিঙ্ক http://www.bidvertiser.com এ যান ।
  2. যেই যেই Information গুলো দিতে বলবে সেই গুলো দিয়ে সাইন আপ করুন ।
  3. তার পর লগ ইন করুন ।
  4. এরপর Add new ad এ ক্লিক করুন এবং আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এ ad দিন ।

এই খানে যা যা করা থেকে বিরত থাকবেনঃ

  1. আপনার পিসি থেকে অন্য অ্যাকাউন্ট লগ ইন করবেন না ।
  2. আপনার পিসি থেকে আপনার নিজের ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর Ad এ ক্লিক করবেন না ।
  3. লোভে পরে আপনার বন্ধুদের দিয়ে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর Ad এ ক্লিক কবেন না ।
  4. আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ পরিষ্কার রাকুন ।
আমার ব্লগ । আমার ব্লগে কিছু লিখক দরকার যদি আপনারা সাহায্য করেন এবং নতুনদের প্রযুক্তিতে উৎসাহ দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব ।
আজকে এই পর্যন্ত থাক পরবর্তী পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করব । ধন্যবাদ সবাই কে । যদি কোন বিষয়ে সমস্যা হয় তাহলে নিচে কমেন্ট করবেন ।

ঘরে বসে আয় করুন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগিং(পর্ব-১)

ঘরে বসে আয় করুন টিউটোরিয়ালে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আমরা সবাই জানি অনলাইন হতে আয় করার সম্পর্কে। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা অনলাইন হতে আয় করার পদ্ধতিগুলো কি কি । অনলাইন হতে আয় করার যে সকল পদ্ধতি গুলোর রয়েছে তার মধ্যে অনতম পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং করে আয় করা। আমার মতে ঘরে বসে অনলাইন আয়ের সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং। আমাদের আজকের এই টিউটোরিয়ালে আমরা যে সকল বিষয় আলোচনা করব আসুন তা এক নজরে দেখে নেই:
১) ব্লগিং ও ব্লগার কি?
২) ব্লগিং করতে হলে আমাদের কি কি প্রয়োজন ও  বিষয় জানতে হবে?
৩) ব্লগিং করে আয়ের উংস সমূহ?
৪) উপার্জিত অর্থ আপনি কিভাবে হাতে পাবেন?
৫) ডোমেইন ও সাব-ডোমেইন কি?
৬) হোস্টিং কি?
তাহলে আসুন আর দেরি না করে আমরা ধাপে ধাপে আজকের টিউটোরিয়ালটি শুরু করে দিই।
ব্লগিং ও ব্লগার কি?
নিজের দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা সমূহকে নিয়ে বা কোন নির্দিষ্ট্য বিষয়ের উপর ধারাবাহিক ভাবে কোন লিখা অনলাইনে প্রকাশ করে তা সকলের সাথে শেয়ার করাকে ব্লগিং বলে। আর এই কাজ সমূহ আমার যে সাইটে করে থাকি তাকে বলা হয় ব্লগ বা ব্লগ সাইট। আর এই লেখা গুলো যে লিখে থাকে তাকে বলা হয় ব্লগার। আমি একদিন গুগলে সার্চ করে জেনেছিলাম ব্লগারদেরকে আন্তার্জিত ভাবে সাংবাদিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।  তাহলে আপনি একটু ভেবে দেখুন একজন ব্লগার এর সম্মান কতটুকু। আর এই ব্লগিং হতে পারে যে কোন বিষয় নিয়ে। যেমন ধরুন: ইতিহাস, কম্পিউটার টিউটোরিয়াল, গ্রাফিক্স ডিজাইন, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। কোন বিষয়ের উপরে ব্লগিং করা হবে তা নির্ধারন করে থাকে ব্লগার নিজেই। আশা করি আপনাদের কাছে এই অংশ টুকু সম্পূর্ন পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।
ব্লগিং করতে হলে আমাদের কি কি প্রয়োজন ও  বিষয় জানতে হবে?

ব্লগিং করতে হবে অনলাইনে। ব্লগিং করার জন্য আমাদের প্রয়োজন হবে একটি ব্লগ সাইটের। যেখানে আমার আমাদের লিখাগুলোকে পাবলিশ করবো ও আমাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করব।  অনলাইনে ব্লগিং করার জন্য বেশ কিছু সাইট আছে যারা ফ্রীতে ব্লগিং এর সুবিধা দিয়ে থাকে। তার মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে ব্লগার ডট কম ও ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম। এই দুটি সাইটের মধ্যে আমি ওয়ার্ডপ্রেসকেই বেছে নিব। কারন ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে একটি সাইট মনের মত করে সাজিয়ে তোলা যায়। কিন্তু ব্লগার দিয়ে করতে গেলে আপনাকে অনেক ঝামেলায পরতে হবে।  যেহেতু আমরা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগিং করা শিখবো সেহেতু আমাদেরকে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার জানতে হবে। তবে আপনার চিন্তার কোন বিশয় নেই।  আমার আপনাকে আমাদের এই ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার শিখিয়ে দিব।
ব্লগিং করে আয়ের উৎস সমূহ?
ব্লগিং করে আপনি বিভিন্নভাবে আয় করতে পারবেন।  তাহলে আসুন উৎস সমুহ জেনে নেই।
১) এফিলিয়েট মার্কেটিং: বর্তমান বিশ্বে এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি বহুল পরিচিত বিষয়।  এক কথায় এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কমিশন ভিত্তিক ব্যবসা। ধরুন আপনি যদি রোমানা কোম্পানির খ প্রোডাক্ট সেল করে দিতে পারেন তাহলে রোমানা কোম্পানি আপনাকে সেলের উপরে ১০% কমিশন দিবে। এই টোটাল বিষয়টি হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। আমি এইখানে খুব সংক্ষেপে আলোচনা করে দিচ্ছি। এখন আপনার প্রশ্ন হতে পারে ব্লগিংয়ের সাথে এফিলিয়েটের সম্পর্ক কোথায়। আপনি যখন আপনার ব্লগ সাইটে কোন প্রতিষ্ঠানের পন্যোর বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন বা তা নিয়ে কোন পোষ্ট করে থাকেন, তারপর যদি কোন ভিজিটর বা আপনার বন্ধুরা আপনার সাইটের মাধ্যমে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে গিয়ে পন্য ক্রয় করে থাকে তাহলে সেটা আপনার আয়। যা কিনা আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে পন্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে তা বিক্রি করার জন্য কাস্টমার সংগ্রহ করেছেন। আশা করি বিষয়টি আপনার কাছে ক্লিয়া হয়ে গিয়েছে।
২) বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে বিজ্ঞাপন দিযে থাকে। তাদের মধ্যে নাম করা সবথেকে বড় প্রতিষ্ঠান হচ্ছে গুগল এডসেন্স। যা কিনা গুগল ডট কমের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি একদিকে বিভিন্ন কোম্পনির বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে অপরদিকে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে কমিশনের ভিত্তিতে এই বিজ্ঞাপন গুলো প্রকাশ করে থাকে।  আপনি যখন আপনার ব্লগে এই বিজ্ঞাপনগুলো প্রকাশ করবেন এবং আপনার সাইটের কোন ভিজিটর এই বিজ্ঞাপনগুলোকে ক্লিক করে সেই সাইটে যাবে তখন আপনার আয় হবে। পরবর্তীতে আমরা গুগল এডসেন্স নিযে সম্পূর্ন আলোচনা করব।
৩) নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করা: আপনি আপনার ব্লগ সাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার নিজস্ব পন্য বিক্রি করতে পারবেন। এতে করে আপনি আপনার প্রোডাক্টের সেলের পরিমান ও সাথে সাথে ভোক্তার পরিমান  ও বাড়াতে পারবেন।
উপার্জিত অর্থ কিভাবে হাতে পাবেন?
অনলাইন হতে উপার্জিত অর্থ হাতে পাবার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। যেমন: পেপাল, লিবার্টি রিজার্ভ, মানি বৃকার্স, পেজা, ব্যংক চেক ইত্যাদি। আপনার হয়ত প্রশ্ন হতে পারে ব্যাংক চেক বাদে বাকি সিস্টেম গুলোর কাজ কি? বাকি যে সকল সাইট রয়েছে আপনি তাদেরকে অনলাইন ভিত্তিক ব্যাংকও বলতে পারেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকগুলোতে এই ব্যাংকের ডলার সাপোর্টকরে। তবে বর্তমানে পেজা বাংলাদেশে সাপোর্টকরে। ফলে আপনি যখন আপনার অর্জিত অর্থ আপনার পেজা এর একাউন্টে ট্রান্সফার করবেন তারপর আপনি সে অর্থ সরাসরি বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংক থেকে তুলতে পারবেন। আর যদি আপনি চেকে পে-মেন্ট নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার ঠিকানাতে আপনার চেকটি পৌছে যাবে। তরপর সেই চেক ব্যাংকে উপস্থাপন করে টাকা উত্তোলন করতে হবে।
ডোমেইন ও সাব-ডোমেইন  কি?
ডোমেইন হচ্ছে ইন্টারনেটের দুনিয়াতে আপনার ঠিকানা।  ব্রাউজারে আমরা যে নামটি টাইপ করে আমাদের কাঙ্খিত সাইটে প্রবেশ করি এটিই হচ্ছে ডোমেইন বা ডোমেইন নাম। আমরা যখন কোন ডোমেইন নিবার কথা চিন্তা ভাবনা করবে তখন আমাদেরকে অবশ্যই খেয়াল করতে হবে ডোমেইনের নাম টাক যেন খুব সুন্দর ও সহজ স্পেলিং এর হয় ও সহজে যেন ভিজিটর মনে রাখতে পারে।
সাব-ডোমেইন হচ্ছে যখান কোন ডোমেইনের অভ্যন্তরে অন্যএকটি ডোমেইন খুলা হয় তখন তাকে সাব-ডোমেইন বলে থাকে। সাব ডোমেইনের স্ট্রকাচারটা দেখতে ঠিক এই রকম: http://adf.ly/QDtXp বা blog.blogbd24.com
আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।
হোস্টিং কি?
আমাদের সাইটের সকল ফাইল সমূহ যে স্থানে সংরক্ষিত থাকে তাকে হোস্টিং বলে থাকে।  হোস্টিং কে আমরা আমাদের কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের সাথে তুলনা করতে পারি।
আজকের এই টিউটোরিয়ালে আমি ব্লগিং ও এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছি। জানিনা কতটুকু আলোচনা করতে পেরেছি ও কতটুকু আপনাদের ভাল লেগেছে। এই সাইটে  এর আগেও অনেকে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। তারপরও আমি আমার মত আলোচনা করার জন্য এই ব্লগ এই পোষ্টটি করেছি। কষ্ট করে পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 

 

Copyright @ 2013 Make Money Online Free.