Tuesday, October 1, 2013

কিভাবে বুঝবেন আপনার আর্টিক্যাল ইউনিক কিনা


article-checkerপ্রত্যেক ব্লগারেরই চাওয়া থাকে তার সাইটটি যেন গুগলের সার্চ রেজাল্টের প্রথমে পেজে থাকে। যেকোন সাইটকেই গুগলের ফার্স্ট পেজে আনতে হলে সে সাইটে অবশ্যই হাই কোয়ালিটি ইউনিক কনটেন্ট থাকতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ইউনিক আর্টিকেল কনটেন্টের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আপনি আপনার সাইটের জন্য আর্টিকেল লিখছেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না আর্টিকেলটি ইউনিক হচ্ছে কিনা। সুতরাং আপনার নিজের আর্টিকেলের ইউনিকনেসের ব্যপারে আপনি নিজেই সন্দিহান হয়ে যাচ্ছেন। আর্টিকেল ইউনিক কিনা এটি চেক করার জন্য কিছু সাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনি আনায়াসেই আপনার আর্টিকেলগুলির ইউনিকনেস যাচাই করে নিতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে Click Here সাইটটি আর্টিকেল চেক করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে আর্টিকেল চেক করার জন্য।

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক সে সাইটগুলি।

তো বন্ধুগণ উপরোক্ত সাইটগুলি থেকে চেক করে নিন আপনার আর্টিকেলের ইউনিকনেস। আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি, সামনে হাজির হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। ততদিন সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন।

আর্টিক্যাল/টিউটোরিয়াল লিখে আয় করার ১০টি নির্ভরযোগ্য সাইট


Article-earnঅনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য নানা রকম উপায় রয়েছে। অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংযের মাধ্যমে আয় করছে আবার কেউবা করছে ব্লগিং। নিজের সাইটে ব্লগিং করে অনেকেই গুগল আ্যডসেন্সের কল্যাণে বেশ ভাল অংকের অর্থ উপার্জন করছেন। তবে আপনি চাইলে আপনার লেখাটি অন্য কোন সাইটের জন্য লিখেও আয় করতে পারেন। অনলাইনে এমন অসংখ্য সাইট রয়েছে যাদের সাইটে আর্টিক্যাল লেখার মাধ্যমে আয় করা যায়। সাইটভেদে আর্টিক্যালের মূল্য ১-৩০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। সুতরাং আপনার লেখালেখির হাত যদি ভাল থাকে তাহলে আপনিও করতে পারেন এ আর্টিক্যাল লেখার কাজটি। আজ আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমনই কিছু ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আর্টিক্যাল লেখার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তো বন্ধুগণ চলুন দেখে নেওয়া যাক সাইটগুলি।



1. Squidoo

1

আর্টিকেল লিখে অর্থ উপার্জনের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সাইট স্কুইডো। সারা বিশ্বব্যাপী এই সাইটটির জনপ্রিয়তা রয়েছে। সুতরাং এই সাইটের ভিজিটর সংখ্যাও প্রচুর। এখানে আপনি যে কোন বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে আর্টিক্যাল লিখতে পারেন। স্কুইডো সাইটে আর্টিক্যালগুলি লেন্সেস (Lenses) নামে পরিচিত। যখনই আপনি এ সাইটে কোন আর্টিক্যাল বা লেন্স পোস্ট করবেন এবং সেটি প্রকাশিত হবে, তখন আপনার আর্টিক্যালের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বা সাইট কতৃক নির্ধারিত বিজ্ঞাপনগুলি ঐ পেজে প্রদর্শিত হবে।

ঐ বিজ্ঞাপনগুলি বিভিন্ন প্রোডাক্টের, যেগুলি মূলত আমাজন, ইবে ও অন্যান্য ইকমার্স সাইটের যা স্কুইড তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকে। আপনার লেন্সে ঐ বিজ্ঞাপনগুলি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্কুইডো যে পরিমান অর্থ আয় করবে তার অর্ধেক এটি আপনাকে প্রদান করবে। আপনি আপনার উপার্জনের টাকা পেপাল বা স্কুইডোর নির্ধারিত অন্যান্য পেমেন্ট সিস্টেমের যেকোন একটির মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

2. Hubpages

2

হাবপেজ এবং স্কুইডো প্রায় একই ধরনের। এখানেও আপনি আর্টিক্যাল বা “হাবস” লিখলে আপনার আর্টিক্যালের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। এ বিজ্ঞাপনগুলি গুগল এডসেন্সের। এছাড়াও হাবপেজের রয়েছে “এড প্রোগ্রাম”। যেখানে হাবপেজ এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাজন ও ইবে এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে থাকে।

গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে পেমেন্ট পেতে হলে আপনার একাউন্টে ১00 ডলার জমা হতে হবে। অপরদিকে হাবপেজের ”এড প্রোগ্রাম” এর ক্ষেত্রে পেমেন্ট তুলতে হলে আপনার একাউন্টে কমপক্ষে ৫০ ডলার জমা হতে হবে। আপনি পেপালের মাধ্যমে আপনার টাকা তুলতে পারবেন।

3. Helium

3

হিলিয়াম হচ্ছে আরেকটি জনপ্রিয় সাইট যেখানে আর্টিক্যাল লিখে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এখানে আপনি আপনার নিজের পছন্দ অনুসারে টপিক বা বিষয়বস্তু বেছে নিয়ে লিখতে পারেন অখবা হিলিয়ামের ক্লায়েন্টদের জন্য তাদের এসাইনমেন্ট ড্যাশবোর্ড অনুসারে লিখতে পারেন। হিলিয়ামে অর্থ উপার্জন হয় মূলত এসব ”এসাইনমেন্ট-বেসড আর্টিক্যালগুলি”র মাধ্যমে যেগুলি বিভিন্ন পাবলিশার বা ব্র্যান্ড কোম্পানী কিনে নেয যাদের ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্টের জন্য কনটেন্ট প্রয়োজন।

এছাড়াও আপনি তাদের “এড রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রাম” ব্যবহার করেও অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার আর্টিক্যালটি কি পরিমাণ ভিজিটর তাদের সাইটে আনবে সেটির উপর ভিত্তি করে আপনাকে পেমেন্ট দেওয়া হবে। আপনার একাউন্টে ২৫ ডলার জমা হলেই আপনি টাকা তুলতে পারবেন।

4. Triond

4

ট্রাইঅনড আরেকটি নামকরা ”রাইটিং কম্যুনিটি”। এখানে আপনার লেখা আর্টিক্যালগুলি বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে পোস্ট হবে। আপনি চাইলে ট্রাইঅনড সাইটে আপনার আর্টিক্যালের সাথে অডিও, ভিডিও এবং ছবি একসাথে পোস্ট করতে পারবেন। পরবর্তীতে আপনি যে বিষয়ের উপর লিখেছেন সে বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোন ওযেবসাইটে এগুলি প্রকাশিত হবে।

আপনি আপনার ইউজার ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে আপনার আর্টিক্যালটি কতবার দেখা হয়েছে বা কোন কমেন্ট পড়েছে কিনা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। প্রতিমাসে আপনি আপনার আর্টিক্যাল থেকে উপার্জিত অর্থের ৫০% ক্যাশআউট করতে পারবেন।

5. Fiverr

5

ফিভার হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার “লেখনী দক্ষতা” বা বিভিন্ন সার্ভিস বিক্রয়ের জন্য অফার করতে পারেন। এখানে প্রত্যেকটি সার্ভিসের মুল্য একদম নির্ধারিত এবং সেটি হচ্ছে ৫ ডলার। সাইট কতৃপক্ষ ১ ডলার কেটে রাখবে এবং আপনাকে দেওয়া হবে ৪ ডলার। আপনি এখানে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা যেকোন বিষয়ের উপর ৫ ডলারের বিনিময়ে আর্টিক্যাল লিখে দেওয়ার অফার করতে পারেন। এরপর কোন ক্লায়েন্টের যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সে ঐ ৫ ডলার সাইটে প্রদানপূর্বক আপনাকে দিয়ৈ আর্টিক্যাল লিখিয়ে নিতে পারেন। পরবর্তীতে সাইট কতৃপক্ষ আপনাকে ঐ প্রদানকৃত অর্থ থেকে ৪ ডলার প্রদান করবে।

আপনি পেপালের মাধ্যমে আপনার জমাকৃত টাকা তুলতে পারবেন। এই সাইটে আপনি যত বেশি অফার বিক্রয় করতে পারবেন আপনি ততবেশি লেভেল ‘আনলক’ করতে পারবেন এবং আপনার জন্য আরো বেশি সুযোগ সুবিধা উন্মুক্ত হবে।

6. Yahoo!Contributor Network

6

আপনি ইয়াহু কন্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারেন। আপনি এখানে সাইন আপ করলে প্রতিদিন আপনার আর্টিক্যালের জন্য নির্ধারিত এসাইনমেন্ট পেয়ে যাবেন। বেশিরভাগ এসাইনমেন্টের বাজেটই ২ ডলার থেকে শুরু করে ২৫ ডলার পর্যন্ত (কিংবা তার চেয়েও বেশি) হয়ে থাকে। অপরদিকে আপনি নিজেই কনটেন্ট তৈরী করে সেটির মাধ্যমে আয় করতে পারেন যেখানে বাজেটের পরিমান ২ ডলার থেকে ১৫ ডলার পর্যন্ত।

আপনার লেখা আর্টিক্যালগুলি ইয়াহুর বিভিন্ন সাবডোমেইন যেমন ইয়াহু নিউজ, শপিং, স্পোর্টস ইত্যাদিতে প্রকাশিত হবে। এখান থেকে আপনি পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট তুলতে পারবেন।

7. Blogging.org

7

এই সাইটটিতে বিভিন্ন ধরনের আর্টিক্যালের কেনা বেচা হয়। এই সাইট থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে আপনাকে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কোয়ালিটিসম্পন্ন আর্টিক্যাল লিখতে হবে। এই ওয়েবসাইট থেকে ভিজিটারগণ অনেক কনটেন্ট বা আর্টিক্যাল কিনে থাকেন। যদি আপনার আর্টিক্যালটি তাদের পছন্দ হয় তবে আপনিও নির্দিষ্ট অঙ্কের একটি অর্থ পাবেন।

এখানে প্রতিটি আর্টিক্যালের জন্য আপনি পাবেন ১.৫০ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত। তো আর দেরী কেন? রেজিস্টার করে কাজ শুরু করে দিন এখনই।

8. Constant Content

8

আপনি কনস্ট্যান্ট কনটেন্ট সাইটে আর্টিকেল লিখেও আয় করতে পারেন। এই সাইটে লেখকগন তার কোন কন্টেন্ট একাধিক গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করতে পারে। এছাড়াও এখানে “পাবলিক রিকুয়েস্ট সিস্টেম” নামে আরো একটি অপশন আছে যেখানে লেখক তার কোন কনটেন্ট সাবমিট করতে পারেন। এ কন্টেন্টগুলি মুলত সেসব ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে সাবমিট করা যারা কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কন্টেন্ট খুঁজছেন।

9. Bukisa

9

এই ওয়েবসাইটের আর্টিক্যালের বিষয়বস্তু মূলত অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। সুতরাং এখানকার বেশির ভাগ আর্টিক্যালই “How to” টাইপের বা কোন কিছু কিভাবে করতে হয় সে বিষয়গুলি-ই মুখ্য। সুতরাং এখানে লিখতে পারেন আপনার কোন আগ্রহের বিষয় নিয়ে বা অভিজ্ঞতা নিয়ে।

এখানে আপনার আয় নির্ভর করবে আপনার আর্টিক্যালগুলির মাধ্যমে গুগল এ্যাডসেন্সের আয়ের উপর। এখানে আপনি আরও লেখকের সাহে পরিচিত হতে পারবেন। আপনি এই সাইটে রেজ্ষ্ট্রিার করতে পারেন।

10. ‍Article Teller

10

আর্টিক্যালটেলার সাইটে আপনি বিভিন্ন কাস্টমারদের জন্য আর্টিক্যাল লিখতে পারেন। এ সাইটে অনেক কাস্টমার কন্টেন্ট কেনার জন্য আসে। আপনার লেখার হাত যদি ভাল হয় এবং নিয়মিত এই সাইটে লিখেন তাহলে আপনার রাইটিং লেভেল বেড়ে যাবে। আপনার লেভেল যত বাড়তে থাকবে আপনার আয়ের পরিমাণ ও তত বাড়তে থাকবে।

কাস্টমার একটি আর্টিক্যালের জন্য আপনাকে যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে সাইট কতৃপক্ষ সেখান থেকে ১৯% কেটে রেখে বাকি ৮১% আপনাকে দেবে। এ সাইট থেকে পেপালের মাধ্যমে টাকা তোলা যায়।

ব্যাকলিংক করুন একটি কার্যকরী সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে


Backlinkআমরা যারা ব্লগিং করি বা ফ্রিল্যান্সিং করি তারা সবাই জানি ওয়েবসাইট প্রমোটের জন্য কীওয়ার্ডভিত্তিক ব্যাকলিংক কতটা জরুরী। আর এ ব্যাকলিংক যদি ভাল পেজ র‌্যাংক সমৃদ্ধ ওয়েবসাইটে করা যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। দিনকয়েক আগে ব্যাকলিংকের তৈরীর জন্য খুবই ফলপ্রসু একটি সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে জানতে পারলাম। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না। আমরা এ সার্চ ইঞ্জিনে যদি আমরা বিষয়ভিত্তিক যেমন; ‍.edu blog এর জন্য সার্চ দেই তাহলে এটি গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে অসংখ্য ‍SEO সম্পর্কিত .edu ব্লগ সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শন করবে।
 

যেগুলি থেকে আপনি প্রচুর পরিমান ব্যাকলিংক তৈরী করতে পারবেন। অথবা, আপনি চাইলেন বিশেষ কোন নিস বা কিওয়ার্ড, যেমন-মোবাইল রিলেটেড সাইটে ব্যাকলিংক দিবেন, উক্ত কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন কাঙ্খিত রেজাল্ট। তো বন্ধুগণ এবার কোন কথা হবেনা, শুধু ব্যাকলিংক হবে…..।

সার্চ ইঞ্জিনটির আ্যড্রেস: http://dropmylink.com

YouTube ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে আয় করুন


Youtube-money_making_tips_1অনলাইনে টাকা আয় করা যায় এরকম কথা শুনেন নি এই ধরণের লোক বর্তমানে পাওয়া অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আর এই ব্লগেতো পাওয়ার কথাই না। অনলাইনে আয়ের হাজার হাজার পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি আছে যা অনেকেরই জানা নাই। আর তা হল- YouTube ভিডিও এর মাধ্যমে আয়।
  আপনারা হয়তো ভাবছেন আমি মসকরা করছি। কিন্তু এটা কোন মসকরা নয়। সত্যিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট YouTube থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন অনেক বড় অংকের টাকা। নিচে আমি কয়েকজন ব্যাক্তির নাম ও তাদের আয়ের পরিমান উল্লেখ করলাম-1. Shane Dawson (431 million views and earn $315,000)
2. The Annoying Orange (349 mil views and earn $288,000)
3. Philip DeFranco (248 mil views and earn $181,000)
4. Ryan Higa (206 mil views and earn $151,000)
5. Fred (200 mil views and earn $146,000)

কিভাবে আয় করবেন?
YouTube থেকে আয়ের অনেক উপায় রয়েছে। নিম্নে কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হল-
১. সুন্দর একটা YouTube Channel Name তৈরী করুন
প্রথমে YouTube এ গিয়ে একটা ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করুন। একাউন্ট তৈরী করার সময় যেকোন নাম না দিয়ে এমন নাম দেন যার সার্চ বেশী, যে নাম যে কেউ মনে রাখতে পারবে।
২. ভিডিও তৈরী-
ভিডিও তৈরীর জন্য আসলে দুইটি পথ অবলম্বন করা যেতে পারে। প্রথমটা হল- ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করা। আপনার যদি কোন ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, অবশ্যই ভাল সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে এবং আপনার কম্পিউটার দ্রুত থাকতে হবে। শুধু একটা বিষয়কে মাথায় রাখবেন, তাহল- আপনাকে অবশ্যই মজাদার ভিডিও তৈরী করতে হবে। মজাদার বলতে আমি কমেডি ফিল্ম তৈরী করার কথা বলছিনা। আমি বলছি, আপনার ভিডিও ভিউয়ারদের জন্য আনন্দদায়ক এবং তারা যেই ধরণের ভিডিওর জন্য সার্চ করছেন সেই ধরণের ভিডিও। উদাহরণস্বরুপ, আপনি একটা Channel তৈরী করলেন ফটোশপ টউটোরিয়ালের আর আপলোড করলেন বিভিন্ন কার্টুন, তাহলতো হল না। আপনি আপনার চ্যানেল যদি থাকে টিউটোরিয়ালের উপর তাহলে আপনি এখানে ভিডিও টিউটোরিয়ালই আপলোড করেন।
৩. আপনার ভিডিও YouTube এ আপলোড-
আপনি যখন আপনার তৈরীকৃত ভিডিও আপলোড দিবেন, তখন অবশ্যই আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো দিয়ে দিবেন এবং সাথে সাথে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটাও দিয়ে দিবেন। আপনার ভিডিও এর সাথে আপনার ওয়েবসাইটের URL টাও দিয়ে দিবেন।
৪. আপনার আপলোডকৃত ভিডিও বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন-
শুধু যে ভিডিও আপলোড করে দিলেন আর আপনি ট্রাফিক পেয়ে গেলেন, এটা ঠিক নয়। আপনি আপনার ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, গুগোল+ ইত্যাদি সমূহে শেয়ার করুন।
৫. আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করুন-
একটা কথা ভাল করে মনে রাখবেন, YouTube ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই, আপনাকে ইউটউব, গুগোল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন।
৬. আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মত কাজ করছেন এরকম লোকদের অনুসরণ করুন, আপনি যদি সফল হতে চান, তাহলে আপনার প্রতিযোগীদেরকে অনুসরণ করুন। দেখুন তারা কিভাবে সফল হচ্ছেন। তাদের সফলতার ইতিহাসটা পড়ুন।
৭(ক). কিভাবে YouTube থেকে টাকা আয় করবেন?
এতক্ষণ যা বললাম তাহল, কিভাবে একটা ভিডিও তৈরী করবেন বা কিভাবে আপনার চ্যানেলে ট্রাফিক বৃদ্ধি করবেন। এখন আমরা জানবো কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করবেন।
আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনি ইউটিউবের এ্যাডসেন্স পার্টনারশীপ থেকেই এটা অফার পেতে পারেন। তারপর আপনাকে YouTube Partnership Program (YPP) এর জন্য অফার করতে হবে। YouTube Partnership Program (YPP) পাতা ভিজিট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। যদি তারা আপনাকে রিজেক্ট করে তাহলে ‍পুনরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে তাহলে মিষ্টি ‍মুখ করেন। কারণ, তারা আপনাকে প্রতি মাসে $200 দিবে। কি মজা!
৮(খ). কিভাবে YouTube থেকে টাকা আয় করবেন?
# এফিলিয়েট পন্যের ভিডিও রিভিউ দিয়ে।
# এ্যাডভারটাইজিং স্লট ভিডিওয়ের মাঝে দিয়ে।
# আপনার ভিডিওয়ের ডিসক্রিপশনে এ্যাড স্লট দিয়ে।
# তাছাড়াও আপনি যদি ভাল কী-ওয়ার্ডের একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনি ঐ চ্যানেল বিক্রি করেও টাকা আয় করতে পারেন।
আপনি যদি কোয়ালিটি ও জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনিও আয় করতে পারেন হাজার হাজার ডলার। আজ এখানেই থাক। সবার জন্য শুভ কামনা রইল। আল্লাহ্‌ হাফেজ।

Earn by creating link


Thumadfly

Hello visitor, i would like to share with you about online earning system by creating link building.



অনলাইন থেকে উপার্জন কথাটি বহুবার শুনেছি। শোনার সময় মনে হয়েছিল আমিও বুঝি পারব। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে দেখি নানা সমস্যা। আমরা অনলাইনে বেশ নতুন। হতে পারে, এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অন্তরায়। কিন্তু এমন কোন সহজ কাজ কি নেই যা আমরা সকলে পারব? কম হোক কিন্তু আসবে কিছু অর্থ তাও আবার অনলাইন থেকে, এটিই তো সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরন।সকলকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের আর্টিকেল। উপরের মন্তব্যটি যাদের মনে এখনও বিদ্যমান কিংবা মনকে দোলা দিচ্ছে বারংবার, মূলত তাদের জন্যই আজকের আর্টিকেল। তবে একেবারে কিছুই পারি না যারা বলবেন তাদের জন্য এ আর্টিকেলটিও কোন উপকারে আসবে না। তবে হ্যাঁ, অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জনের প্রত্যাশাকে আরও বেশি গতিশীল করে দিতে পারবে। যা আপনাকে এনে দিতে পারবে সফলতা, আজ না হোক কাল। কেননা যারা অনলাইন থেকে উপার্জন করছে তারাও আপনার আমার মত মানুষ, পার্থক্য শুধু দক্ষতা। তাই বলব নিয়মিত চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন.......
আজকে যে সাইটটি সম্পর্কে বলব, তার নাম হচ্ছে এডিএফ ডট এলওয়াই । সাইটটির ব্যবহার খুবই সহজ। আমরা যারা ইমেইল প্রেরন, ফেসবুক, টুইটার, কমেন্ট পোষ্ট, ব্লগিং ইত্যাদি কাজগুলো করতে পারি তারাই মূলত এ সাইট থেকে আয় করতে সক্ষম হব। এ সাইট থেকে আয়ের উদ্দেশ্যে নিচের ধাপগুলো পরিপূর্নভাবে অনুসরন করুন। আর কাজ শুরুর একটি উদাহরন দেখতে ক্লিক করুন
১. এডিএফ ডট এলওয়াই সাইটে প্রবেশ করুন।
২. Join now বাটনে ক্লিক করুন ।
৩. প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন এবং account type Link Shrinker রাখুন।
৪. আপনার মেইলে প্রবেশ করে রেজিষ্ট্রেশনটি Active করুন।
৫. ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
৬. Tools বাটনে ক্লিক করে বাম পাশ থেকে Easy Link বাটনে ক্লিক করুন।
৭. এবার যে লিঙ্কটি প্রথমে পাওয়া যাবে সেটি কপি করে সংরক্ষন করুন।
৮. যেখানে www.google.com লেখা আছে সেখানে আপনার নির্ধারিত লিঙ্ক বসিয়ে ইমেইল, ফেসবুক, টুইটার কিংবা ব্লগের মাধ্যমে সকলের জন্য ছড়িয়ে দিন। (এ ধরনের লিঙ্ক কিন্তু আপনার কাজের প্রয়োজন অনেক ব্যবহার করতে পারবেন)
৯. এখন থেকে যারাই এই লিঙ্কে ক্লিক করবে তারাই প্রথমে এডিএফ সাইটে যাবে এবং সেখানে Skip ad বাটনে ক্লিক করলে মূল সাইটে যেতে পারবে। এভাবে প্রত্যেক ক্লিকের জন্য আপনি পাবেন .০০৪ সেন্ট। অর্থাৎ প্রত্যেক ১০০০ ক্লিক=৪ ডলার। তারপরেও বলব এটি খুব একটা খারাপ হবে না যদি কাজটি করতে পারেন।
১০. এভাবে করে যখন আপনার মোট ডলারের পরিমান নূন্যতম ৫ ডলার হবে তখন এ সাইট থেকে একটি নির্ধারিত দিনে আপনার পেপাল কিংবা এলার্টপে একাউন্টে সরাসরি চলে যাবে আপনার উপার্জিত অর্থ। সেজন্য withdraw অপশনে গিয়ে আপনার পেমেন্ট পদ্ধতিটি সঠিকভাবে লিখে দিন।
সকল প্রকার তথ্যকে আপনাদের সামনে সঠিকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করলাম মাত্র। এখন শুরু করে দিন আপনার প্র্যাকটিস। সফল হবেন ইনশাল্লাহ.........

Online Earn by Article Writing

যারা অনলাইনে আয়ের কথা শুনেছি তারা নিশ্চয়ই আর্টিকেল লিখে যে খুব সহজেই আয় করা যায় সেটিও শুনেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি যে আমাদের দেশের অনেকেই আর্টিকেল লিখতে ভয় পায়। কেননা যাই লেখি না কেন, লিখতে তো হবে সব ইংরেজীতে! হ্যাঁ যা লিখবেন তা ইংরেজীতেই লিখতে হবে এর কোন বিকল্প নেই। আপনিও চাইলেই কিন্তু ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখতে পারেন। তার জন্য দরকার হবে নূন্যতম কিছু ইংরেজীর জ্ঞান। অনেকেই হয়তো আমার কথা শুনে অবাক হচ্ছেন, ভাবছেন নূন্যতম ইংরেজীর জ্ঞান দ্বারা ইংরেজী আর্টিকেল লিখব, এটিও কি সম্ভব! আমি আবারও বলছি, অবশ্যই সম্ভব যদি আপনি আমাদের গাইডলাইন সঠিকভাবে ফলো করেন এবং পরবর্তীতে যথাসম্ভব চেষ্টা করেন। আমার ধারনা বাংলাদেশে যারা আর্টিকেল লিখে অর্থ উপার্জন করছে তারা সকলেই আমার মত করেই লিখে থাকেন।

এবার বলছি কি কি টেকনিক ফলো করবেন:
১. বায়ার আপনাকে যে বিষয় দ্বারা আর্টিকেল লিখতে বলছে, সেই বিষয়টি যদি আপনার পরিচিত না হয় তবে প্রথমেই বিষয়টি দ্বারা গুগলে সার্চ করুন।
২. ধরুন, গুগল আপনার সামনে বেশ কিছু রেজাল্ট নিয়ে এল, এবার আপনার অনুমান দ্বারা দু তিনটি ওয়েব সাইট খুলে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করুন।
৩. যদি কাজটি মাইক্রোওয়াকারর্স.কম এর হয়ে থাকে, তবে বায়ার আপনাকে যে সাইটটির জন্য আর্টিকেল লিখতে বলছে তার সেই সাইটটি দেখলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন পুরো বিষয়।
৪. তার দেয়া সাইট থেকেও আপনি অর্থ বুঝে দু একটি লাইন নিবেন এবং বাক্যের ক্রিয়াকে সমার্থক শব্দ দ্বারা পরিবর্তন করে দিবেন। এটি আপনার এমএস ওয়ার্ড ফাইলে কোন শব্দকে সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক করলেই সিনোনিমস নামে আপশন পাবেন।
৫.পাশাপাশি প্রথমবারেই হয়তো সব অর্থ আপনার পক্ষে বোঝা সম্ভবপর হবে না। তাই একটি ডিকশনারি ওপেন করে নিন এবং জটিল শব্দটি সাথে সাথে দেখে নিন।
৬. যে সকল বানান ভুল করেছেন, সেগুলো লাল চিহ্নযুক্ত দেখতে পাবেন। এবার তার উপরে রাইট ক্লিক করলে অনেক সমাধান পাবেন। এখন আপনি তার মধ্য থেকে সঠিক শব্দটি বেছে নিন।
৭. বাক্য সাজানোর জন্য বেসিক কিছু গ্রামার আপনাকে জানতে হবে। এটিও কোন কঠিন কাজ নয়, কেননা আপনার গ্রামার সংক্রান্ত ভুলগুলো কম্পিউটার এমএসওয়ার্ড ফাইলে সবুজ কালি দ্বারা চিহ্নিত করে দেবে আর সেটির উপরে রাইট ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন আপনার সমাধান।
আশা করি ৫০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লিখতে এবার আপনার খুব একটা কষ্ট হবে না। তবে যদি আপনি প্রফেশনাল মানের আর্টিকেল রাইটার হতে চান তবে এই পদ্ধতিতে আপনাকে বেশ কিছু দিন চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজী আর্টিকেলগুলো বেশি বেশি পড়ে অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে এবং নতুন নতুন শব্দ মেমরিতে ধারন করতে হবে। ছোট আকারে হলেও বাক্য গঠন করার চেষ্টা করতে হবে আর ভুল হলে কম্পিউউটারই ধরিয়ে দিবে।
আর্টিকেল লিখে আয় করার জন্য যতটুকু রহস্য আছে তার অনেকটাই আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এবার আপনাদের পালা, চেষ্টা শুরু করুন এখন থেকেই। কেননা প্রফেশনাল মানের আর্টিকেল রাইটার হতে পারলে অনলাইনে উপার্জনের রয়েছে অভাবনীয় সুযোগ । মাইক্রোওয়ার্কাসসহ বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইট ভিজিট করলে এর চাহিদা উপলদ্ধি করা যায়।

আর্টিকেল লিখে আয় করার খুব জনপ্রিয় কিন্তু আমাদের জন্য নতুন একটি পদ্ধতি

সকলকে আমার টিউনে স্বাগতম
আশা করি সকলেই ভালো আছেন। যারা আউটসোর্সিং এ নতুন, তাদের বেশীরভাগই আর্টিকেল লেখার কাজ পছন্দ করেন। লেখালেখির কাজের জন্য টেকনিক্যাল দক্ষতা ( যেমন প্রোগ্রামিং ) প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া, ইংরেজিতে লেখার মোটামুটি দক্ষতা থাকলেই কাজ করা সম্ভব হয়।
আমরা আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে উপার্জন করার অনেক পদ্ধতির কথা জানি। আজকে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিব নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম এর সাথে, যেখানে লেখার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।
এই সাইটে লেখার মাধ্যমে আয় করার জন্য যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ন-
  • লেখা অবশ্যই সহজবোধ্য, ইউনিক ও গ্রামাটিকালি মোটামুটি সঠিক ইংরেজীতে হতে হবে।
  • আপনার পোষ্টটি যত ভিউ, লাইক, কমেন্ট ও সোস্যাল শেয়ার পাবে তার জন্য আপনি পেমেন্ট পাবেন।
  • আপনি কাউকে লাইক, কমেন্ট ও সোস্যাল শেয়ার করতে বলবেন না, নিজের সোস্যাল প্রোপারটিতে শেয়ার করতে পারেন।
  • এ্যডমিফাষ্ট বা অনুরুপ সর্ভিসের মাধ্যমে আপনার পোষ্টগুলোতে ভিউ, ফেসবুক লাইক বা শেয়ারে ইত্যাদি দিবেন না।
  • নিজেই অনেকগুলো একাউন্ট করে আপনার পোষ্ট এর ভিউ, লাইক, কমেন্ট ইত্যাদি বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।
  • আইপি হাইড বা প্রক্সি ব্যবহার করে পোষ্টের ভিউ বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।
  • কোনো প্রকার পর্ন কন্টেন্ট বা ছবি পোষ্ট করবেন না।
  • ৫০০ ক্যারেক্টারের কম কোন পোষ্ট লিখবেন না।
  • অসামন্জস্যপূর্ণ কোন ছবি আপনার পোষ্টে ব্যবহার করবেন না।
  • কোন প্রকার রেফারাল বা এ্যফিলিয়েট লিঙ্ক আপনার পোষ্টে দিবেন না।
আপনি যদি ওদের কোন শর্তভঙ্গ না করেন তাহলে আপনার একাউন্টে $২৫ জমা হলেই পেমেন্ট রিকোয়েষ্ট করতে পারবেন। রিকোয়েষ্ট করার ৩ দিনের মধ্যে পেমেন্ট পাঠানো হয়।
সাইটটি অনেক বিখ্যাত ও জনপ্রিয়। ভারত, আমেরিকা, ফিলিপাইনের অনেকে এই সাইটের মাধ্যমে আয় করছে। না দেখে স্ক্যাম, স্ক্যাম বলবেন না। যদিও TT তে স্ক্যামারদের অভাব নেই কিছুদিন ধরেই দেখছি কিছুলোক একটা সফটওয়্যার শেয়ার করছে যেটা জাষ্ট কম্পিউটারে ইনষ্টল দিলেই কম্পিউটারে যত ফুটা ফাটা আছে সেখান দিয়ে সরাসরি সৌরজগতের বাহির থেকে ডলার বের হতে শুরু করবে। ভাগ্যিস TT মডারেটররা ছিলো, তা না হলে ওই টিউনগুলো অনেককেই বিভ্রান্ত করতো, কারন আমরা বিনা কাজে কামাই করতে একটু বেশিই আগ্রহী।
আয় করা এত সস্তা না। সঠিক ভাবে কাজ করুন, করার আগে ভালোভাবে শিখুন। না শিখে কিছুই করা যায় না। শেখার জন্য সময় দিন। নিজেকে আগে উপযুক্ত করে গড়ে তুলুন। আপনার যোগ্যতা থাকলে, কাজই আপনাকে খুঁজে নিবে।
ওয়েব সাইটটিতে জয়েন করতে এখানে ক্লিক করুন।

 

Copyright @ 2013 Make Money Online Free.